Header top Ads

আসমা খাতুন লাখির জীবন

সব লেখা না পড়ে কোন মন্তব্য করবেন না     
অসহায় জীবন মানে পাগল নয়
জীবন সংগ্রামী উদ্যাম সাহসিকতায় পাগলামী এমন এক ্ঘটনা নিয়ে এই লেখা, মাঝে মাঝে আসমার জীবনের গল্প বলবো, আর বাস্তব জীবনে অভিজ্ঞতা থেকে সম্ভব্য কিছু ডাঃ এর চিকিৎসা ও নিজের মতামত প্রকাশ করবো। 

1। প্রাণি কুলের ভালবাসাঃ  কোন বড় লোক বা তার মেয়ে কুকুর নিয়ে খেলা
করে তখন সেটা মানুষ ও পশুর মধ্যে ভাল বাসার বৈচিত্রতা ফুটে উঠে। কিন্তু এটা কি সত্যিই ভালবাসা না পাগলামী? যখন একটা 8/10 বছরের শিশু অভাবের তাড়নাই রাস্তার খাবার কুড়িয়ে খেতে বসে আর কুকুর এসে এক সাথে খেতে শুরু করে, সে টাকে না তাড়িয়ে এক সঙ্গে খেলে সবাই বলে পাগল।

2। নগ্মনতাঃ নের দুঃখে বা রাগে/ মানসিক সমস্যা ইত্যাদি যখন রাস্তায় অধ্য উলাঙ্গো চলে তখন সে পাগল, কিন্তু সরকার, দেশ, জাতি, সমাজ যখন সানি লিওন সহ আরও অনেককে নিয়ে পুরা উলঙ্গো হয়। তখন সেটা সাংস্কৃতি, এটা বাংলাদেশের কোন যুগেরে সাংস্কৃতি?

3। ভালকাজঃ যখন কেউ অতি মাত্রয় ভাল কাজ করে তখন তাকে বলা হয় পাগল। সমাজ, জাতি, দেশের স্বার্থে  যে কোন ধরণের কাজ করার সময় বলা হয় পাগলা। যে প্রকৃত পাগল; সে যখন কোন সামাজিক, রাস্ট্রিয় কাজে না আসে তাকে বলা হয় পাগল।

4। সেবা করাঃ  রাস্তার সাইটে পড়ে থাকা পাগল/অসহায় লোককে খেতে বা অন্য কোন সেবা করলে বলে পাগল। আসলে রাস্তার সাইডের ঐলোক পাগলা না যে সেবা করল, নাকি যে বলল! আসলে পাগল সবাই!

5। রাজনীতিঃ যখন এরশাদ আবলতাবল বলে, রনি, কাদের সিদ্দিকী, সুরঞ্জীত সেন, ধাক্ক দিয়ে বিল্ডিং ফেলা, কালো টাকা সাদা করা, ইত্যাদি, তখন তরা পাগল! এই পাগলরাই কিন্তু দেশ পরিচালনা করে।

6। হুজুর: যখন সানি লিওন ও কোন নর্তিকীর কথা বলা হয়, তখন প্রশ্ন হয় হুজুরা এদের চেনে কি ভাবে? যখন জাকীর নায়েক, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ও আলেম দের কথাবলে তখন সেই নর্তিকীরাই এদর বিরোধীতা করে কিন্তু আমার প্রশ্ন তারা কি ভাবে হুজুর দের চেনে?

7। ভাষ: পৃথিবীর যত বড় পাগল হোক নাকেন সে কিন্তু তার মার্তৃ ভাষায় কথা বলে, পাগল মানে তো আবল তাবল বকে , তার মানে কি ইনি পাগল নয়? সে তো তার মার্তৃ ভাষাকে আয়াত্ব করার ক্ষমতা রাখে?

8। মেমোরী: সাধারণ ভাবে বলি, ধরুন আপনি বাজার থেকে একটা মেমোরী কিনলেন আর তাতে, সাঈদী ওয়াজ লোড দিলেন নিশ্চয় ওয়াজ বাজবে, যদি আসিফের গান লোড দেন, বা অন্য কিছু তবে সেটাই বাজবে, সাধারণ ব্যপার। মানুষের ব্রেইন ঠিক তাই, আর এজন্যই মানুষ তার মার্তৃ ভাষায় কথা বলে। যারা পাগল তাদের একটু ভাল ভাবে ব্যবহার করে দেখুন তারা অনেক ভাল জীবন ফিরেপাবে! অবাক হবার কিছু নেই।

9। আমার স্ত্রী: যাকে নিয়ে আমার এই লেখ, যার উদ্যেষ্য করে পাগল নিয়ে ভাবনা!!
   আজ তার কোল জুড়ে ফুট ফুটে সন্তান, ....
প্রথম সন্তান 9 ডিসেম্বর 2014,  25 অগ্রাহায়ণ 1421, 15 সফর 1435, মঙ্গলবার তার কোলজুড়ে এলো নাসিম রেজা

2য় সন্তান 20 আগস্ট 2017, 05 ভাদ্র 1424, 27 জিলকদ 1438, রবিবার তার কোলজুড়ে এলো নাসির উদ্দিন আব্দুল্লাহ


সবাই তাতে পাগল বলতো আমি কোন দিন পাগল বিশ্বাস করেনি, আসলে ভালবাসা আর মমতাই মানুষকে এই ছোট্ট জীবন পাড়ি দিতে সাহায্য করে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ তিনি সুস্থ্য জীবনে ফিরে এসেছে। শুধু সময়ের ব্যবধান, রাস্তা থেকে তুলে এনেছি, সবােই আমাকেও পাগল বলতো এখন গর্ব  করে বলতে পারি আমার স্ত্রী একজন স্বামীর বাধ্য স্ত্রী। আমি তার উপর খুশি, আল্লাহ যেন আমাদের নেক হায়াতদারাস করেন। আমিন।





আসমা খাতুন  লাখি যখন 5 বছর বয়স তখন তার বড় বোন শাশিমা আক্তার আখি ও ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম রাকিব এর সাথে।


13 বছর বয়েসের গল্প
আসমা খুব সরল সোজা মেয়ে, সবে ক্লাস সিক্স পেরিয় সেভেনে উঠলো, পুরা স্কুল ফাস্ট হয়েছে। আসমার বন্ধু বলতে তেমন কেউ ছিলো না। বান্ধবী ছিলো কয়েক জন। তারা সবাই প্রতিযোগিতার হিংসা করতে শুরু করলো। আসমাকে কিছুতেই আর ফাস্ট হতে দেওয়া যাবে না। আসমাও কম নয়। সেউ চালিয়ে যাচ্ছে দিন রাত চেষ্টা। কিছু দিন চলে গেল, 1ম সাময়িক পরিক্ষা শেষ হলো, এবারও সব সাবজেটে আসমা এগিয়ে, 2য় সাময়িক পরিক্ষা শেষ, রেজাল্ট েএলো আসমা সবার থেকে এগিয়ে। ফাইনাল পরিক্ষার আগে আসমার সাজগোজ, ভাব একটু বেড়ে গেলো, বান্ধবীরা বলতে লাগলো আসমা প্রেমে পড়েছে! এবার আর আমাদের সাথে পারবে না। বাড়ি থেকে পিতা মাতা, ভাই বোন কেউ বুঝতেই পারছে না আসমা কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে। আগের থেকে পড়া কমে গেছে কিন্তু রাতে বসে বসে কি যেন লেখে। কিছু বললে রেগে যায়। ভালো ছাত্রি হিসাবে কেউ কিছু বলে না। গৃহ শিক্ষক বলে ওকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। নিঃসন্দেহ ভালো রেজাল্ট করবে। কিন্তু দুরভাগ্য, পরিক্ষার আগেই আসমা পড়া শুনা একেবারে বাদ দিয়ে সাজগোজ আর রূপ চর্চায় ব্যস্ত হয়ে গেলো। ঘোরাঘুরি বেশি করতে লাগলো, কিছু দিন পরেই জানা গেলো আসমা প্রেমে পড়েছে! কিন্তু চলা ফেরা, কথা বার্তা সব চেঞ্জ। আজগোবি কিছু, অবাঞ্চিত কথা বলতে শুরু করলো, স্কুলে গিয়ে এক বান্ধবীর কথা অন্যের সাথে বলে দন্ধ সৃষ্টি করতে শুরু করলো। স্কুলো যাওয়ার নাম বলে অন্য কোথাও চলে যেতে শুরু করলো। সব মিলে পিতা মাতা ভাবলো জিন, ভুতের আস পড়েছে, কবিরাজি চিকিৎসা শুরু করলো। কোন পরিবর্তন নেই। কিছু ডাক্তারও দেখানো হলো, আর্থিক সমসা থাকায় ভালো কোন ডাক্তার দেখানো হলো না। শেষ হলো লেখাপড়া, শেষ হলো জিবনের সেই গতি। সবাই ভাবলো আসমার বিয়ে দিলে সে ভালো হয়ে যাবে। ডাক্তার পরামর্শ দিলো আসমাকে বিয়ে দিয়ে দিন। কিন্তু আসমার বয়স এখন 14, যাই হোক বিয়ে হয়ে গেলো। পারিবারিক ভাবে।।



আমরা আসমার জীবন নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো। কারণ আসমা একজন মানসিক রোগী। এই আসমার জীবনী পড়ে হয়তো বা অনেক আসমার জীবন ভাল হয়ে যেতে পারে। আমিন।
আসমা উপরে সাদা পোষাকে সরল মনা ছোট্ট শিশু, ছোটবেলা থেকেই খুবমেধাবী ও ধর্মভীরু, যা তার পরবর্তী জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ালো। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত মাদ্রাসায় পড়ার পর বাড়ীর পাশে (ভাতুড়িয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজ)  ক্লাস সিক্স-এ ভর্তি হলো। সত্তম শ্রেণিতে 2য় স্থান অর্জন করেন। তার মনে আকুতি চলে এলো কেন সে 1ম হতে পারলো না। সহপাঠিদের সাথে পড়ার প্রতিযোগিতা শুরু হল। 8ম শ্রেণিতে 3য় স্থান অর্জন করলো। তার প্রথম স্থান অর্জনের প্রবনতা আরেও বেড়ে গেল। আস্তে আস্তে সহপাঠিদের সাথে মনমালিন্য শুরু হতে লাগল। বান্ধবিরা সবাই দুরে সরে গেল। কেন? কি অপরাধ ছিল তার?  কারণ সে খুব পর্দা করতো, নামাজ পড়তো, আর বান্ধবীদের খুব ভাল বাসতো।
তবে কেন এত দুরত্ব? সে এই কাজ গুলো অতিমাত্রায় করতে ভালবাসতো! এটাই তার অপরাধ। এক পর্যায় তার আর কোন সঙ্গী থাকলোনা। বাড়ি থেকেও ভাই-বোন, বাবা-মা থেকে তেমন কোন সঙ্গী সে খুজে পেল না। কারণ তার সঙ্গে কারও কোন মিল নেই। সে যেটা চাই অন্যরা সেট চায়না। এজন্য সে হয়ে গেল একা । এখন সে প্রতিজ্ঞা করলো ঘরে বসে একা একা পড়ে স্কুলে 1ম স্থান অর্জন করবে। ঘরে বসে রাত দিন পড়তে লাগলো। খাওয়া দওয়া বন্ধ। কিছুদিন পর সে ঘর কুনো হয়ে পড়লো। বাবা মা চিকিৎসা করলো। বিভিন্ন ঝাড় ফুক করে সাভাবিক হলো। তারপর আবারও স্কুলে গেল। কিন্তু কেউ বুঝতে পারলোনা বা চাইলো না যে সে আসলে সুস্থ হয়নি সে মানুষের সঙ্গ পেয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলা শুরু করেছে।  সাজ গোজ, আর সৌন্দযের রূপ রহস্যে জড়িয়ে পড়ল আসমা। সবাই বলতে শুরু করল আসমা এখন মডেল হচ্ছে। কিছু দিনের মধ্যে সে ভ্রমন বিলাসী ও রূপচর্চা উদ্দামী হয়ে উঠল। অসাবাভিক ভাবে চলাফেরা বেড়ে গেল। আর সমাজের সকলে তাকে পাগল বলতে শুরু করলো। সেই পাগল আসমার গল্প আপনাদের শুনাবো। যদিও গল্পটা বড় হবে, তবে এ ধরণের রোগী সহ সকলের জন্য অনেক কাজে আসবে।



আসমার বিবাহ -৯ মার্চ ২০১১ ইং রোজ-বুধবার
আসমার এই সব কর্মকান্ড দেখে ডাক্তার সহ সবাই বলল তাকে বিয়ে দিলে সে ভাল হবে। মাত্র 14 বছর বয়েসে শুধু তার রোগ ভাল হবে এই আশায় তাকে বিয়ে দিল। সত্তি কি তাই চলুন দেখা যাক।
বিয়ের পর থেকে আরও বেড়ে গেল সাজ-গোজ, প্রসাধনী আর কসমেটিক ব্যবহার । প্রথম দিন থেকে বুঝে ফেলেছে তার স্বামী নাঈম রেজা। কিন্তু বিশমিত হননি তিনি। শফত নিলেন কি ভাবে তাকে পরিপূর্ণ স্বাভিক অবস্থায় এনে একটি সুন্দর সংসারের জননী বানানো যায়। সেই মোতাবেক কাজ শুরু করল তার স্বামী এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা শুরু করলেন। 


এক নজলে জেনে নি এই রোগের লক্ষণ গুলিঃ
হ্যা তবে বলে রাখি ধাপে ধাপে অনেক গুলি আলাদা আলাদ লক্ষণ দেখাবো যা বিভিন্ন রোগীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে
মানসিক রোগের ওষুধ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী অনেকে আবার ওষুধ ছাড়া শুধু সাইকোথেরাপি অথবা কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে দেয়ার দাবি জানান। মানসিক রোগের ধরন অনুযায়ী ওষুধ, সাইকোথেরাপি ও অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। কোনো রোগের জন্য কোনো ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন, তার গবেষণাভিত্তিক দিক নির্দেশনা রয়েছে। কিছু রোগের চিকিৎসায় যেমন সাইকোথেরাপিই প্রথম পছন্দ, আবার সিজোফ্রেনিয়া, ম্যানিয়া, তীব্র বিষণœতাসহ আরো কিছু রোগে ওষুধ অপরিহার্য। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ রোগীর রোগ নির্ণয় করে তার জন্য কোনো ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, সে পরামর্শ দেবেন। মানসিক সমস্যা হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ খাওয়া শুরু করতে হবে, সেটা যেমন ঠিক নয়- তেমনি সব মানসিক রোগ ওষুধ ছাড়াই ভালো করা যাবে- তাও সত্য নয়। মানসিক রোগের ওষুধ শুরুও করতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে, বন্ধও করতে হবে তার পরামর্শমতো।


 লক্ষণঃ নামাজের ওয়াক্ত নাহওয়ার সত্তেও নামাজ পড়ার ইচ্ছা, সবাইকে অতিমাত্রায় নামাজ পড়তে বলা, কারও উপর বিশ্বাস না থাকা, আবার কাউকে অতি বিশ্বাস করা, মনে হয় সরল সোজা কিন্তু অল্পতে রেগে যায়। কাজ করার প্রবল ইচ্ছা কিন্তু কোন কাজই করে না। একই কথা বার বার বলা, কিছু আজগবী কথা বলে যা শুনলে মনে হয় সবি সত্য। যে সময় পরিবারের এক জনের কথা আরেক জনের সাথে বলে দন্ধ সৃষ্টি করে ফেলে, মনে করে তার অজান্তে কেউ তাকে বদনাম করছে, কেউ তাকে মেরে ফেলবে, বা সে কাউকে মেরে ফেলতে চাইবে, নিজের কোন আত্নবিশ্বাস থাকে না। কখনো মৃত্যুর ভয় মটেও থাকে না আবার কখনো মৃত্যুর ভয়ে অন্য কাউকে জড়িয়ে ধরে। কারও হাসি দেখতে পারে না। রাতের আধার পছন্দ করে, খাওয়া দওয়া, গোসল ঠিক মতো করে না। কেউ তাবিজ করেছে বলে সন্দেহ করে, পরিবারের সবাইকে সন্দেহ করতে থাকে, তাকে কেউ ভাল বাসেনা বলে মনে করে, তার খাবারে কেউ বিষ মিশিয়ে দিয়েছে এমন ভাবে, নিজে আবার কখনো বলে সবাইকে বিষ খাওয়ায়ে মারবো, গলা কেটে মারবো, কোন শব্দ হলে রাগ করে, নিজে জোরে জোরে দরজা, জানালা বা আসবাব পত্র ভাঙ্গচুর শব্দ করে,  টিভিতে কোন মিথ্যা বা নাটকিও চিত্র দেখলে রাগ হয় টিভি বন্ধ করে দেয়। খুব আস্তে আস্তে কথা বলে, মুখে আঙ্গুল দিয়ে সিস শব্দ/ চুপ থাকতে বলে। খাওয়ার কথা বললে খায় না রাতের আধারে উঠে ভাত খায়, কেউ যদি দেখে ফেলে তবে রেগে যায়। 






আল্লাহর উপর ভরসা রেখে প্রথমে একজন ভাল অভিজ্ঞ (নিউরো মেডিসিন) ডাক্তার এর চিকিৎসা নিন। তার পর আসুন আপনার আমার যে কাজ, রোগ প্রত্যেক মানুষের হয়। রোগ দেখে ভয় পাবেন না। এ ধরণের রোগ ভাল হয়। আমার দির্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় মনে হয় এই রোগ 20% ঔষধে ভাল হয়। বাকিটা আপনার সহনুভুতি বা রোগী সেবা। আমরা উপরে যে লক্ষণ গুলি দেখেছি সে গুলির সবগুলি মাথা পেতে মেনে নেওয়ার শক্তি আপনার থাকতে হবে। এবার আমরা চলে যাব আসমার জীবনে নাঈম রেজা যে ভাবে সেবা করলো। বিয়ের পর সাধারন্ত সবাই কম বেশী হানিমুন বা ভ্রমন করে থাকে। আসমার জীবনে সেটা হল একটু ব্যতিক্রম,


আপনি কি জানেন শুচিবায়ু রোগ কি?


এ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিরা সাধারাণত অত্যান্ত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে। তবে রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এদের মাঝে অদ্ভুত কিছু চিন্তা ঢোকে। নিজেদের চরিত্রের বিপরীত নানান চিন্তা তাদের মাঝে কাজ করে। দেখা যায় যে খুব কাছের মানুষের প্রতি অমঙ্গলকর চিন্তা আসে। সবকিছুতে সন্দেহ হয়। একি কাজ বারবার করার প্রবণতা কাজ করে। 

মজার ব্যাপার হল, এ রোগে আক্রান্ত রোগী নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বারবার কাজ করবে। অনিয়ন্ত্রিত মন তাকে দিয়ে করাবে। অর্থাৎ রোগের আক্রমণের পর আমাদের মন আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না! অনেকে দাঁত দিয়ে নখ কাটতে থাকে, অনেকে মাথার চুল ছেড়ে, একই কাজ বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে থাকে, বেশ কিছু কাজ এরা প্রতিনিয়ত করতে থাকে। 




অত্যধিক-অমোঘ ব্যাধি বা শুচিবায়ু একটি সাধারণ স্নায়বিক রোগ। বিকল্প বানান ছুঁচিবাই [ chunci-bāi ]। এটি বিশেষ্য শব্দ যার অর্থ অশুচি হওয়ার ভয় ও শুচিতা রক্ষার জন্য বাড়াবাড়ি বা ছোঁয়াছুঁয়ি সম্বন্ধে বাতিক। এটি এক ধরণের মানসিক রোগ যা এক ধরণের অযৌক্তিক বা অনাকাঙ্খিত চিন্তার আচ্ছন্নতা। ইংরেজিতে এটি Obsessive–compulsive disorder নামে পরিচিত যা অনেকের মধ্যে দেখা যায়।
অবসেশন বা অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজ অর্ডার (ওসিডি) রোগটি অনেক পুরনো। গ্রামাঞ্চলে এ রোগটিকে শুচিবায়ু রোগ বলা হয়। অবসেশন রোগটি ছোটবেলাতেই শুরু হয়। মোট জীবনকালে কখনো বাড়ে কখনো কমে। দেখা গেছে, দুই-তুতীয়াংশ অবসেশনের রোগী ডিপ্রেসনে আক্রান্ত হয়। এটি একটি নীরব ঘাতক ব্যাধি। অবসেশন রোগে একই চিন্তা বারবার মাথায় আসে। একই কাজ বারবার করার প্রবণতা দেখা দেয়, যা রোগীর জন্য অত্যন্ত কষ্টের।
বারবার একই জিনিস চেক করা, পারফেক্ট থাকার ইচ্ছা। সব কাজ নির্ধারিত সময়ে করার প্রবণতা প্রভৃতি উপসর্গ হিসেবে পাওয়া যায়। প্রতি ৪০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন ও প্রতি ১০০ জন শিশু-কিশোরের একজন অবসেশন রোগে আক্রান্ত থাকে। অবসেশন রোগীদের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ সঠিক চিকিৎসাপ্রাপ্ত হয়। এত কম হওয়ার কারণ আক্রান্ত রোগীরা এটি যে একটি রোগ তা বুঝতে পারেন না, তাই ডাক্তারের কাছে যান না বা রোগের কথা প্রকাশ হয়ে পড়লে লজ্জা পাবেন এই ভয় করেন, যা একদম ঠিক নয়।
অবসেশনের কারণ 
ওসিডি বা অবসেশন মূলত শৈশবকালের বিভিন্ন আচরণ থেকে বিকাশ লাভ করে বলে মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন তাদের ধারণা, শিশুর নানা আচরণগত দিক শৈশবকালেই দুর্বল হয়ে যায়। 
এ ছাড়া নিচের ফ্যাক্টরগুলোর সাথে অবসেশনের সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার সেরোটনিনের কমতি অবসেশনের কারণ বলে মনে করা হয় ষ বংশগত কারণ ষ মস্তিষ্কসংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা ষ মস্তিষ্কের কার্যক্রমের জটিলতা ষ শৈশবকালীন ইনফেকশন বা সংক্রমণের অবসেশন হওয়ার একটা কারণ ষ বাল্যকালের শুভ কিংবা অশুভ অভিজ্ঞতা ষ অবচেতন মনের বিভিন্ন রকম কার্যক্রমের ব্যাঘাত ও কিছু চিন্তাগত সমস্যা।
অবসেশনের চিকিৎসা 
অবসেশনের রোগীরা তাদের উপসর্গগুলো কারো কাছে এমনকি ডাক্তারের কাছেও বলতে চান না। বরং মানুষের সামনে উপসর্গ যেন প্রকাশ হয়ে না পড়ে সেজন্য সচেষ্ট থাকেন। তারা মনে করেন, এটি তার দুর্বলতা। পৃথিবীর আর কোনো মানুষের এ রোগ নেই। তাই তার মনের গভীরে লুকানো এলোমেলো চিন্তা বা মনে মনে সে পাপ করছে বলে মনে করে। রোগীর ধারণা এই পাপের কথা কি বলা যায়?
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, অবসেশন রোগটি চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। অবসেশন রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক উন্নত ওষুধ আবিষ্কার হয়েছে। যেমন ট্রাইসাইকিক বিষণœতারোধী ওষুধ ‘কমিপ্রামিন’ সিলেকটিভ সেরোটনিন রি-আপটেক ইনহিবিটর জাতীয় ওষুধ-ফুক্সেটিন, সারট্রালিন, ফুভাক্সামিন, পেরোক্সিটিন ইত্যাদি।
তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘কমিপ্রামিন’ হচ্ছে এ রোগের সবচেয়ে ভালো ওষুধ। এ ছাড়া আরেকটি অত্যন্ত কার্যকরী চিকিৎসা রয়েছে, যার নাম বিহেভিয়ার থেরাপি। এই পদ্ধতিতে চিন্তার উদ্দীপনা বন্ধ করার উপায় অবলম্বন করা হয়। আবার যেটাতে বেশি চিন্তা হয় সে কাজটি বেশি করে করতে বলা হয়। এতে করে রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। তাই আর দেরি নয়, আজই আপনার সমস্যার কথা জানিয়ে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং সুস্থ থাকুন।






















বিভিন্ন ঔষধ ও তার ক্রীয়া বোঝার চেষ্টা করেছি এবং এখানে প্রত্যেক ঔষধের নামে উপর মাউচ নিলে হেন্ড চিহ্ন দেখাবে, এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়বেন- ধন্যবাদ


Nexito 10 এমজি ট্যাবলেট বিষণ্নতা এবং সাধারণ উদ্বেগ রোগের চিকিত্সা ব্যবহার করা হয়। এটি কম ডোজ এ শুরু করা উচিত এবং ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা। এই ঔষধটি হঠাৎ বন্ধ করা বন্ধ করবেন না কারণ এটি মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগপ্রবণতা, চক্করতা, হাত বা পায়ের মধ্যে অস্থিরতা, এবং ঘুমন্ত অবস্থায় অসুবিধা যেমন প্রত্যাহারের কারণ হতে পারে।






What is Lumona?
Lumona is a leukotriene (loo-koe-TRY-een) inhibitor. Leukotrienes are chemicals your body releases when you breathe in an allergen (such as pollen). These chemicals cause swelling in your lungs and tightening of the muscles around your airways, which can result in asthma symptoms. Lumona is used to prevent asthma attacks in adults and children as young as 12 months old. Lumona is also used to prevent exercise-induced bronchospasm in adults and children who are at least 6 years old. Lumona is also used to treat symptoms of year-round (perennial) allergies in adults and children who are at least 6 months old. It is also used to treat symptoms of seasonal allergies in adults and children who are at least 2 years old. Do not give this medicine to a child without a doctor's advice. Lumona is also used to prevent exercise-induced bronchoconstriction (narrowing of the air passages in the lungs) in adults and teenagers who are at least 15 years old and are not already taking this medicine for other conditions. If you already take Lumona to prevent asthma or allergy symptoms, do not use an extra dose to treat exercise-induced bronchoconstriction. Lumona may also be used for purposes not listed in this medication guide. More: http://www.ndrugs.com/?s=lumona
More: http://www.ndrugs.com/?s=lumona



লোপেজ ২ এমজি  ট্যাবলেট এমডি হল একটি অ্যান্টিকভালসেন্ট যাটি উদ্বেগ এবং জখমের লক্ষণগুলি উপভোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এই ঔষধ দীর্ঘমেয়াদী সময় বা বড় ডোজ জন্য গৃহীত প্রবণতা অভ্যাস গঠন ঝুঁকি বৃদ্ধি হতে পারে হঠাৎ করে এই ঔষধটি নষ্ট করবেন না কারণ এটি তিরস্কার, আচরণগত ব্যাধি, কম্পন, এবং উদ্বেগ মত প্রত্যাহারের কারণ হতে পারে।


What is Sentix?

Sentix Tablet is used for DepressionSchizophrenia and other conditions. Sentix Tablet may also be used for purposes not listed in this medication guide.
Sentix Tablet contains Flupenthixol Dihydrochloride as an active ingredient.
Sentix Tablet works by normalizing the agitated psychotic behavior and by inhibiting the action of dopamine.
Detailed information related to Sentix Tablet's uses, composition, dosage, side effects and reviews is listed below.



What is Telfast?
Telfast tablets contain fexofenadine hydrochloride 120mg per dose. Fexofenadine is an antihistamine, which is prescribed by doctors to treat the symptoms of seasonal allergic rhinitis (hay fever). You may find this to be an effective antihistamine if you have previously tried other non-prescription antihistamines, such as cetirizine or loratadine, without success. You can take Telfast alongside a hay fever nasal spray and/or eye drops if you wish.
Telfast can cause drowsiness in a small number of people, but it's considered to be a non-drowsy antihistamine.




মাদকদ্রব্য


মাদকদ্রব্য ব্যবহারের সাথে মানসিক ব্যাধির সম্পর্কগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেমন- গাঁজা, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন যা ব্যবহার করলে উদ্বেগ বেড়ে যায় বলে মনে করা হয় । সাইকোসিস এবং সিজোফ্রেনিয়ার জন্য যেসব ওষুধের ব্যবহার করা হয়, যেমন- গাঁজা,কোকেন এবং এমফেটামিন যা মানসিক ব্যাধি বৃদ্ধির কারণের সাথে যুক্ত । গাঁজা ব্যবহার এবং দ্বিপদসংক্রান্ত ব্যাধির মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক রয়েছে ।

No comments

Powered by Blogger.